অনুরাগ কাব্যগ্রন্থটি বন্দে আলী মিয়া'র লেখা ।
অনুরাগ কাব্যগ্রন্থটি বন্দে আলী মিয়া (১৯৩২) লেখা ।
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর (১৭১২-১৭৬০)
অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। সংস্কৃত, আরবি, ফারসি ও হিন্দুস্তানি ভাষার সংমিশ্রণে আশ্চর্য নতুন এক বাঙ্গি ও প্রাচীন সংস্কৃত ছন্দের অনুকরণে বাংলা কবিতায় নিপুণ ছন্দপ্রয়োগ ছিল তাঁর কাব্যের বৈশিষ্ট্য।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১৭১২ সালে হাওড়া জেলার ভুরশুট পরগণার পেঁড়ো (পান্ডুয়া) গ্রামে ব্রাহ্মণ বংশে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সে 'সত্যনারায়ণের পাঁচালী' (১৭২৭) রচনা করেন।
- তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
- তাঁর কবিত্ব শক্তিতে মুগ্ধ হয়ে নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাকে 'রায়গুণাকর' উপাধি দেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি এবং মঙ্গলযুগের শেষ কবি হিসেবে পরিচিত।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের 'শেষ বড় কবি' বলা হয়।
- তিনি অন্নদামঙ্গল ধারার প্রধান কবি।
- তিনি ১৭৬০ সালে মারা যান। তাঁর মৃত্যুর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটে।
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের সাহিত্যকর্মসমূহঃ
'অন্নদামঙ্গল' (১৭৫২-৫৩): এটি তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে রচনা করেন। কাব্যটি তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি এ কাব্যের দ্বিতীয় অংশ 'বিদ্যাসুন্দর'।
'সত্য পীরের পাঁচালী' (১৭৩৭-৩৮): এটি তাঁর রচিত অন্যতম গ্রন্থ।
'রসমঞ্জরী', 'নাগাষ্টক', 'গঙ্গাষ্টক', 'চণ্ডীনাটক' (নাটক)।
অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩ খণ্ডে বিভক্ত । এতে দেবী অন্নদার বন্দনা আছে।
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'- এ বিখ্যাত উক্তিটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত বিখ্যাত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যে'র চরিত্র ঈশ্বরী পাটনীর।
বিখ্যাত উক্তিঃ
- ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।’
- ‘নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?’
- ‘মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।’
- ‘হাভাতে যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়।’
- ‘বড়র পিরীতি বালির বাঁধ। ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষণেকে চাঁদ।’
- 'না রবে প্রাসাদগুণ না হবে রসাল অতএব কহি ভাষা যাবনী মিশাল।'
Related Question
View Allভারতচন্দ্র রায় গুনাকর নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। উল্লেখ্য, ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর (১৭১২-১৭৬০) আঠার শতকের মঙ্গলকাব্য ধারার শ্রেষ্ঠ কবি। ভারতচন্দ্রের শ্রেষ্ঠ কীর্তি অন্নদামঙ্গল কাব্য। তিনি মধ্যযুগের 'শেষ বড় কবি', তাকে 'নাগরিক কবি' হিসেবে অভিহিত করা হয়। কবিত্ব শক্তিতে মুগ্ধ হয়ে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাকে রায়গুণাকর উপাধি প্রদান করেন। ভারতচন্দ্রের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো “সত্য পীরের পাঁচালি"।
মূল পদটি হলো আপনা মাংসে হরিণা বৈরী'। পদটি ভুসুকুপা রচনা করেছেন। এটি তাঁর ৬নং পদ। তিনি চর্যাপদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লেখক (৮টি)। উল্লেখ্য, উক্ত পদটির অর্থ হলো 'নিজের মাংসের জন্যই হরিণ নিজের শত্রু"।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!